Wednesday, September 14, 2011

Blogging-Multi way to earn money

In this article you can know what is the blogging, how to creating blogging site, how to earn money by blogging. Actually, Blogging is the best & long term earnings way. in this article i will tell a comprehensive guide of Blogging.


অনলাইনে উপার্জনের যতগুলো মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে ব্লগিং হচ্ছে সবচেয়ে স্থায়ী ও মজবুত মাধ্যম। ব্লগিং এর সাথে Google Adsense এর একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এজন্য যারা Google Adsense এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে চান তাদের ব্লগিং সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা থাকা প্রয়োজন। প্রধানত: ব্লগিং সাইটের জন্যই Google  তার Adsense প্রোগ্রামটি চালু করেছে।
লগিং কি?
এবার আসি ব্লগিং বলতে আমরা কি বুঝি। সাধারণভাবে ব্লগিং বলতে কোন সেবা বা সার্ভিস প্রদানকে বুঝায়। বিশ্বে সেবা প্রদানের অসংখ্য বিষয় রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি ব্লগিং করতে পারেন। আমি একবার ঠান্ডাজনিত একটি সমস্যা সমাধানের জন্য Google এ সার্চ দিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি সাইটে প্রবেশ করে দেখলাম-শুধু ঠান্ডাজনিত নয়, অনেক ধরনের রোগ, তার কারণ, সমাধান বিস্তারিতভাবে বর্ণনা দিয়েছে-সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এই যে তারা একটি সার্ভিস দিচ্ছে-এটাই ব্লগিং। আবার একবার একটি গ্রিটিংস কার্ড প্রয়োজন হওয়ায়  Free Greetings card দিয়ে সার্চ দেওয়ায় কয়েক হাজার সাইট পেলাম। যারা বিভিন্ন ধরনের গ্রিটিংস কার্ড (যেমন: Birthday, Wedding, Friendship, invitation card ইত্যাদি) বিনামূল্যে সরবরাহ করছে। এটা এক ধরনের ব্লগিং। গ্রাফিক্স ডিজাইন ,ওয়েব ডিজাইন শেখার জন্য সার্চ দিন, দেখবেন-হাজার হাজার সাইট রয়েছে, সম্পূর্ণ ফ্রি টিউটোরিয়াল দিচ্ছে এসব সাইট। এটা ব্লগিং। লক্ষ্য করলে দেখবেন, এসব সাইটের অধিকাংশই ব্যবহার করছে Google Adsense.

ব্লগিং কে পেশা হিসাবে নিবেন কেন?১. ব্লগিং এ আয়ের কোন সীমা নেই। চাকুরিতে বেতন পাবেন ১০ অথবা ২০ হাজার। কিন্তু আপনার মেধা, শ্রম ঢেলে খুব দ্রুত গড়ে তুলতে পারেন আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ার। আপনার মাসিক আয় হতে পারে ১ হাজার ডলার, ২, ৩ বা তারও উপরে। আপনার কাজই নির্ধারণ করবে আপনার আয়ের অংক।
২. আপনি ব্যবসা করবেন, প্রয়োজন হবে বিশাল পুঁজি। রয়েছে পদে পদে ঝুঁকি, আপনি সর্বশান্ত হতে পারেন। অন্যদিকে ব্লগিং এর জন্য প্রয়োজন মাত্র একটি ইন্টারনেট সংযুক্ত পিসি, ডোমেইন/হোস্টিং কেনার জন্য ২/৩ হাজার টাকা আর আপনার ব্লগিং পরিকল্পনা।
৩. পৃথিবীর যতগুলো স্বাধীন পেশা রয়েছে, তার মধ্যে ব্লগিং অন্যতম। কখনো কাজ করতে মনে চাচ্ছে না, ঘুমিয়ে পরলেন। কোথাও হতে বেড়িয়ে আসলেন। কারো কাছে জবাবদিহি করতে হবে না।
৪. ব্লগিং একটি Flexible পেশা। যে কেও, যে কোন সময়, যে কোন স্থানে বসে ব্লগিং করতে পারে। একজন ছাত্র তার পড়াশোনার পাশাপাশি, একজন চাকুরিজীবি তার চাকুরির পাশাপাশি, একজন গৃহিণী তার কাজের পাশাপাশি ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারে।
আপনি কি ব্লগিং করতে পারবেন?আপনি যদি ইংরেজিতে ২/৩ লাইন লিখতে পারেন। তাহলে আপনিও ব্লগিং করতে পারবেন। অথবা, বিষয়বস্তুকে সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে পারেন, তাহলে আপনিও ব্লগিং করতে পারবেন। আমি একবার আমার এক রিলেটিভের নবজাতকের একটি নাম জানার জন্য সার্চ দিয়ে দেখলাম এমন অনেক সাইট রয়েছে, যারা শুধুমাত্র নবজাতকের সুন্দর ও অর্থবহ নাম দিয়ে সার্ভিস দিচ্ছে। এটা কি ব্লগিং না? এখানে তো আর্টিক্যাল লেখার কিছু নেই। একই নাম একাধিক অনেক সাইটে দেখলাম। শুধুমাত্র নামগুলোকে এক একজন এক এক স্টাইলে সাজিয়েছে। আমি আশ্চর্য হয়ে দেখলাম-এসব সাইটেও তারা Google Adsense ব্যবহার করেছে।
আপনাকে যদি বলা হয়, একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক ব্লগ সাইট করার জন্য, আপনি কি এ সম্পর্কিত ভাল মানের একাধিক সাইটকে ফলো করে, উক্ত সাইটের তথ্যাদি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে, প্রয়োজনে বাজার হতে এ বিষয়ক বই সংগ্রহ করে নিজের মত কিছু লিখতে পারবেন না? আপনি অন্তত সাধারণ জ্ঞানের জন্য প্রশ্নোত্তর টাইপের ব্লগিং নিশ্চয়ই করতে পারবেন। তাহলে সাধারন জ্ঞান বিষয়ক একটি সাইট করুন না! এ বিষয়ক সাইটগুলো ভিজিট করুন। তাদের তথ্যকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আপনি লিখে পোস্ট করুন। আপনি তো তাদের তথ্য কপি/পেস্ট করতে যাচ্ছেন না! আসলে, প্রচেস্টা থাকলে আপনার ব্লগের উপকরণ ইন্টারনেটেই ছরিয়ে আছে। এসব যদি পারেন, তবে আপনিও অবশ্যই ব্লগিং করতে পারবেন।

টেকনিক্যাল জ্ঞান
ব্লগিং সাইট তৈরি, প্রতিনিয়ত আপডেট, রক্ষনাবেক্ষণের জন্য আপনাকে অব্শ্যই ওয়েব সাইট ডিজাইন ও ডেভলেপমেন্ট জানতে হবে। সাধারণ মানের একটি সাইট করতে Html, Css, javascript শিখলেই হবে। কিন্তু, প্রফেশনাল মানের একটি সাইট করতে, বিশেষত ডাইনামিক সাইট তৈরি করতে Php/mysql, Joomla, Wordpress শিখতে হবে। এ সম্পর্কিত জ্ঞানের জন্য আমাদের বিভিন্ন টিউটোরিয়াল প্যাকেজ রয়েছে।

সাইট তৈরি, এবার প্রচারে নামুন
সাইট তৈরি হওয়ার পরে আপনাকে ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য মনোযোগী হতে হবে। এজন্য seo এর বিক্ল্প নেই। এজন্য seo এর প্রাথমিক বিষয়গুলো (যেমন: ব্যাকলিংক, ফোরাম পোস্টিং, বুকমার্ক, ফেসবুক ইত্যাদি) প্রয়োগ করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার সাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতঃপর Google Adsense এর জন্য আবেদন করুন। সাইট তথ্যসমৃদ্ধ হলে অবশ্যই Google Adsense এ্যাপ্রুভ হবে ইনশাল্লাহ্‌।  আপনার ব্লগ সাইট  পরিচিতি হবে,  Page Rank বাড়তে থাকবে,  অর্থ উপার্জনের বহুমূখী সোর্স হবে আপনার ব্লগ সাইট।


Source: Here

Google Adsense

In this article you can know how to earn money by Google Adsense. Its very reliable & Bangladesh blogger earn money a lot of by adsense like  Foreign blogger. Adsense is one of the most comprehensive earning way of online earnings. you can also know to actual earning method of google adsense. 


Google Adsense বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন Google এর একটি Advertising program। এর মাধ্যমে উপার্জনের জন্য একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে। ফ্রি ওয়েব সাইটের মাধ্যমেও Google Adsense ব্যবহার করে উপার্জন করা সম্ভব। Google Adsense যদিও বহুদিন পূর্ব থেকেই সমগ্র বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদী উপার্জনের পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত, কিন্তু বাংলাদেশে বিষয়টি অনেকের কাছেই নুতন। প্রথমদিকে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের আইটি জগতে একটা হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল। টাকা উপার্জনের জন্য অনেকেই নিজস্ব ওয়েবসাইট কিনে অথবা ফ্রি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেব্যবহার করেছে Adsense,
Google Adsense এর মূল প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে না বুঝার কারনে অনেকের Adsense একাউন্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু যারা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে তারা ঠিকই উপার্জন করছে।
মূল বিষয় হচ্ছে, Google Adsense এর মাধ্যমে যে কোন ধরনের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে উপার্জন সম্ভব। শর্ত হচ্ছে, সাইটকে জনপ্রিয় করতে হবে। সাইটে প্রচুর ভিজিটর ঢুকতে হবে, ভাল contents থাকতে হবে। ভিজিটর একবার সাইটে প্রবেশ করে পুনরায় প্রবেশ করার আগ্রহ থাকে এ ধরনের contents প্রতিনিয়ত আপডেট রাখতে হবে। সাইটে ভিজিটর প্রবেশ করানো এবং তাদেরকে ধরে রাখতে পারলে ভিজিটরদের একটি অংশ স্বাভাবিকভাবেই Google এর বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। মনে রাখতে হবে, যত বেশি ভিজিটর আপনার সাইটে থাকবে তত আপনার উপার্জনের পরিমান বৃদ্ধি পাবে। আমি হিসাব করে দেখেছি, প্রতিদিন গড়ে ১০০০ ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করলে গড়ে ১০% ভিজিটর Google প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এতে গড়ে  প্রতিদিন ১০ ডলার উপার্জন হবে। অর্থাৎ মাসে ৩০০ ডলার বা ২০০০০ টাকা উপার্জন করা সম্ভব শুধুমাত্র একটি মানসন্মত ওয়েব সাইটের মাধ্যমে। একটি সাইট হতে এ ধরনের উপার্জন শুরু হয়ে গেলে ভিন্ন বিষয়ের উপর আরো সাইট আপনি তৈরি করতে পারবেন। অনলাইন উপার্জনের এক বিশাল দ্বার উন্মোচিত হবে আপনার জন্য। প্রয়োজন শুধু পরিশ্রম করার মানসিকতা। ভাবতে পারেন, ক্লিক করলেই যেহেতু ডলার তাহলে চিন্তা কি, সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে শুধু ক্লিক আর ক্লিক.........! Google কি এতই বোকা! বিজ্ঞাপনদাতারা কি এতই বোকা! ক্লিক করলেই টাকা দিবে! না, Fake Click করলে Google তার একাউন্ট বন্ধ করে দিবে। Original ক্লিক করলেই শুধু ডলার জমবে। তাহলে Original ক্লিক কোনটি, যার মাধ্যমে ডলার পাওয়া যাবে? সে কথাই আসছি, যেহেতু সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে Google বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, সেহেতু ভিজিটর যদি সাইটের contents দেখার পাশাপাশি Google Ad এ ক্লিক করে উক্ত বিজ্ঞাপনদাতার সাইটে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করে (এক্ষেত্রে ভিজিটর কিন্তু fake ক্লিক করেনি, বড়ং তার নিজস্ব আগ্রহে উক্ত বিজ্ঞাপন দাতার সাইটে প্রবেশ করেছে) তবেই হবে Original ক্লিক। এ ধরনের স্বাভাবিক ক্লিক করলেই আপনার উপার্জন হবে। Google তার Adsense প্রোগ্রামের জন্য এমন টেকনোলজি ব্যবহার করেছে যে কেও fake ক্লিক করলে তা ধরে ফেলতে সক্ষম। অতএব, এ ধরনের অসাধু চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলতে হবে। মনে রাখতে হবে, Google Adsense একটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসা। এর পুঁজি হচ্ছে, আপনার ব্লগিং পরিকল্পনা ও সঠিকভাবে তার ব্যবহার। নগদ মূলধন বলতে শুধুমাত্র একটি পিসি আর ডোমেইন/হোস্টিং এর জন্য মাত্র ২/৩ হাজার টাকা। সঠিকভাবে ব্লগিং করতে পারলে, পর্যাপ্ত ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করাতে পারলে মাসে হাজার ডলার উপার্জন করা সম্ভব-এটা কল্পনা নয়, বাস্তব।
পরিশ্রম করে একটা ভালমানের ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারলে আর ভিজিটর বাড়ানোর সব কৌশল প্রয়োগ করতে পারলে আপনাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। আপনি ঘুমিয়ে থাকবেন আর আপনার একাউন্টে ডলার জমতে থাকবে। সত্যি অভাবনীয়!

 যারা Google Adsense ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদী উপার্জন করতে চান তাদের জন্য নিচে কতিপয় গাইডলাইন প্রদত্ত হল।

১. যে ধরনের ব্লগিং সাইট করতে চান, তা ভেবে চিন্তে নির্বাচন করুন। অর্থাৎ যেসব সাইটে ভিজিটর বেশি প্রবেশ করে সে ধরনের সাইট তৈরি করুন।

২.সাধারণত শিক্ষামূলক (কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয়সহ অন্যান্য শিক্ষা), সাধারণ জ্ঞান, খেলাধুলা, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত, ফিটনেস টিপস্‌, ইত্যাদি বিষয়ের সাইটে ভিজিটর বেশি হয়ে থাকে। এ ধরনের ভালমানের সাইটকে ফলো করে আপনিও অনুরুপ ব্লগিং সাইট তৈরি করতে পারেন।

৩. প্রথমেই টাকা উপার্জনের চিন্তা মাথায় না এনে যথেষ্ট সময় নিয়ে সাইটকে সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন।

৪. কখনোই কোন সাইটের contents কপি করে আপনার সাইটে পোস্ট করবেন না। অবশ্য ভাল কোন ব্লগিং সাইটকে অনুকরণ করে নুতন আর্টিক্যাল, টিউটোরিয়াল, টিপস্‌, ইত্যাদি পোস্ট করতে পারেন।

৫. সাইট পরিপূর্ণভাবে তৈরি হলে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য মনোযোগী হোন। এক্ষেত্রে Seo এর প্রাথমিক বিষয়গুলো প্রয়োগ করুন। ( ব্যাকলিংক তৈরি, ফোরামে পোস্ট, বুকমার্কিং ইত্যাদি)

৬. সবশেষে Google Adsense এর জন্য apply করুন।

Written by Farid Ahmed

Source: Here

Wednesday, August 17, 2011

Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪)

এর আগের পর্বে এডসেন্সে একাউন্ট তৈরি জন আবেদন করার পদ্ধতি দেখিয়েছিলাম। গুগল আপনার আবেদন গ্রহন করে থাকলে আপনি এতদিনে এডসেন্সে লগইন করার অনুমতি পেয়ে গিয়ে থাকবেন। আশা করা যায় অনেকেই এডসেন্সে লগইন করে কিভাবে বিজ্ঞাপন সেটাপ করতে হয় তা শিখে ফেলেছেন। যারা বিষয়টি জটিল ভেবে কিছুই করেননি, তাদের জন্য এই পর্ব। তাহলে চলুন শুরু করি-

বিজ্ঞাপন কোড তৈরি করা: এডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েব এডস আপনার সাইটে দেখতে চাইলে আপনাকে প্রথমে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপনের জন্য কোড তৈরি করে নিতে হবে। নিচের ধাপগুলো ফলো করুন-

১) http://adsense.com ওপেন করে যে মেইল আইডিটি দিয়ে সাইনআপ করেছিলেন সেটি দিয়ে লগইন করুন।
২) ঠিক ভাবে লগইন করতে পারলে আপনি আপনার একাউন্টস কন্ট্রোল প‌্যানেলে চলে আসবেন যেখানে আপনার উপার্জন করা টাকার হিসেব, AdSense Setup এবং আরো বিবিধ অপশন রয়েছে। AdSense Setup এ ক্লিক করুন।
৩) AdSense Setup পেজে তিন ধরনের সেটাপ করতে পারবেন। AdSense for Content, AdSense for Search এবং Referrals। AdSense for Content এ ক্লিক করুন। 

৪) AdSense for Content পেজে আপনি দুই ধরনের এডস বানাতে পারবেন। Ad unit এবং Link unit। প্রাথমিক ভাবে আমরা Ad unit নিয়ে কাজ শুরু করবো। সুতরাং Ad unit এ ক্লিক করে কন্টিনিউ করুন। (ড্রপ ডাউন লিস্টে টেক্সট এন্ড ইমেজ এডস সিলেক্ট করা থাকবে বাই ডিফল্ট। আপাতত পরিবর্তন করার দরকার নেই।)

৫) Choose Ad Format and Colors এ Format, Colors ও Corner Styles ঠিক করে নিতে পারবেন। এগুলোর বিষয়ে একটু বিস্তারিত বলি-
ক) Format: এডস ফরম্যাট হলো আপনার বিজ্ঞাপনের আকার আকৃতি। গুগলে অনেক ফরম্যাটে বিজ্ঞাপন ব্লক তৈরি করা যায়। সবগুলোর একটা প্রিভিউ দেখতে চাইলে ক্লিক করুন- https://www.google.com/adsense/adformats

খ) Colors: আপনার বিজ্ঞাপনের টেক্সট কালার, বর্ডার কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ইত্যাদি নির্বাচন করতে পারবেন এখানে। আপনার সাইটে সাথে ম্যাচ করে তৈরি করে ফেলুন বিজ্ঞাপনের কালার... অত:পর Palettes হিসেবে সেভ করে রাখুন ভবিষ্যতে সরাসরি ব্যবহারের সুবিধার্থে।

গ) Corner Styles: এটি তেমন গুরুর্তপূর্ন কিছু নয়.. তবে বিজ্ঞিপনের সৌনর্য বর্ধনে কাজে দেয়। এটি দিয়ে বিজ্ঞাপন ব্লক কি চারকোনা হবে না ওভাল হবে, তা নির্বাচন করতে পারবেন।

সুতরাং আপনার পছন্দমত বিজ্ঞাপন ব্লক তৈরি করে ফেলুন এবার। অত:পর কন্টিনিউ করুন।

৬) Choose Ad Channels এ আপনি আপনার বিজ্ঞাপনের জন্য চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন। সাধারনত যদি আপনার একাধিক সাইট থাকে, তাহলে প্রতিটি সাইটের জন্য আলাদা চ্যানেল তৈরি করে নিতে পারেন। এতে করে কোন সাইট থেকে কত ইনকাম হচ্ছে তা জানতে পারবেন। এছাড়াও এর আরো কিছু ব্যবহার রয়েছে। সেগুলো নিয়ে পরে কখনো আলোচনা করবো। Add new channel এ ক্লিক করে চ্যানল যুক্ত করে নিন।
 ৭) Save and Get Ad Code এ আপনার এড ব্লকের নাম নির্ধারন করুন। এই নামে পরবর্তিতে এই এডস ব্লকটা ম্যানেজ সেকশানে পাবেন। সুতরাং এমন কোন নাম দিন যেটা দেখলে আপনার মনে পড়ে যাবে ঐ এডসটি কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। অত:পর সাবমিট এন্ড গেট কোড বাটনে ক্লিক করুন।

৮) সবকিছু ঠিকঠাক মত করতে পারলে আপনি আপনার বিজ্ঞাপন কোড পেয়ে যাবেন। কোডটুকু কপি করে আপনার সাইটে লাগানোর দশ মিনিট পর হতেই গুগলের বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করবে। এখানে একটি বিষয় সবসময় খেয়াল রাখবেন। গুগলের এই কোডে কোনরকম পরিবর্তন করলে গুগল টার্মস এন্ড সার্ভিস ব্রেক করা হবে যা আপনার একাউন্ট বাতিলের কারন হতে পারে।

বিজ্ঞাপন কোড সাইট/ব্লগে লাগানো:
আশা করি সবাই এডস কোড বানাতে পেরেছেন। এবার চলুন কোডটি কিভাবে আপনার ব্লগস্পটে সেটাপ করতে হবে শিখে ফেলি-
১) http://www.blogspot.com ওপেন করে আপনার ব্লগে লগইন করুন।
২) Dashboard হতে ব্লগ Layout -এ চলে যান। (Layout নামে একটা লিংক পাবেন আপনার ব্লগ নেমের সামনে।)
 ৩) পেজ লেআউটে Add a Page Element নামে লিংক পাবেন.. ওখানে ক্লিক করলে একটি পপআপ উইন্ডোতে পেজ এলিমেন্ট গুলো দেখতে পাবেন। ওখানে HTML/JavaScript নামে একটি অপশন পাবেন। এডড টু ব্লগ বাটনে ক্লিক করুন।

৪) HTML/JavaScript বসানোর জন্য একটি টেক্সটবক্স চলে আসবে। গুগর এডসেন্স থেকে পাওয়া কোডটুকু এখানে পেস্ট করুন। তারপর Save Changes বাটনে ক্লিক করুন। (Title কিছু দিতে হবে না।)

৫) পেজ লেআউটে গিয়ে দেখতে পাবেন HTML/JavaScript নামে একটি ব্লক যুক্ত হয়েছে। মাউস দিয়ে ড্রাগ করে সেটিকে যেকোন যায়গায় বসাতে পারেন। এরকম আরো দু'টো ব্লক যুক্ত করে সেভ করে ১০ মিনিট পর আপনার ব্লগ ভিজিট করুন। আশা করি বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন।


লিখেছেন :TRIVUz
তথ্যসূত্রঃ Click here

Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৩)


যারা আগের পর্ব পড়ে ব্লগ স্পটে একটি ব্লগ বানিয়ে বা ব্যক্তিগত সাইট বানিয়ে গুগল এডস বসানোর প্রক্রিয়া জানার জন্য বসে আছেন, তারা নড়ে চড়ে বসুন। আজ যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্তাকারে গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া আলোচনা করতে যাচ্ছি।

ধরে নেয়া হলো আপনার ব্লগ বা সাইটের লিংকটি নিন্মরুপ-
http://blog.something.com

তাহলে শুরু করা যাক।

১) AdSense পেজ খুলে ডান দিকে উপরে Sign up now >> বাটনে ক্লিক করুন। সাইনআপ ফর্ম চলে আসবে...
২) ফর্মের Website Information সেকশনে Website URL: এ আপনার ব্লগ বা সাইটের ওয়েব লিংক বসান।
উদাহরণ:
Website URL: http://blog.something.com
যে সাইটের লিংকটি দিয়ে আবেদন করবেন, সেটি ইংরেজীতে হওয়া বাঞ্ঝনীয়। তবে ইদানিং এডসেন্সের রুলস অনেক শিথিল করা হয়েছে.. গুগল বাংলা সমর্থন না করলেও বাংলা সাইটের জন্যও আবেদন গ্রহন করা হচ্ছে শুনতে পেয়েছি। তবুও আবেদনের গ্রহনযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য ব্লগস্পটের ব্লগটিতে ইংরেজীতে কিছু পোস্ট লিখে রাখতে পারেন।

৩) Website language: ইংরেজী নির্বাচন করুন এবং নিচের দুটো চেকবক্সে টিক দিয়ে দিন। চেক বক্সদুটোতে লেখা থাকবে-
[ ] I will not place ads on sites that include incentives to click on ads.
[ ] I will not place ads on sites that include pornographic content.

৪) Contact Information এ Account type: এ Individual নির্বাচন করুন। বিজনেস নির্বাচন করলে তেমন কোন পরিবর্তন হবে না শুধু মাত্র চেকটি আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যু হওয়া ছাড়া। আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।
৫) Country or territory: তে যে দেশ নির্বাচন করবেন, নিচে সেই দেশের উপযোগী এড্রেস ফিল্ড পাবেন। বাংলাদেশ থেকে টাকা পেতে চাইলে নির্বাচন করুন Bangladesh.
৬) Payee name (full name): এ আপনার সঠিক নামটি লিখুন যে নামে ব্যাংক একাউন্ট করা সম্ভব বা যেটি আপনার সার্টিফিকেটে রয়েছে। কারন এ নামেই চক ইস্যু হবে এবং এই নাম পরবর্তিতে পরিবর্তন করা যায় না। এবিষয়টি একটু সতর্কতার সাথে পুরন করুন। কারন এখানে ভুল করার কারনে অনেক লোক চেক ভাঙাতে পারেন না।
৭) আপনার সঠিক এড্রেসটি দিয়ে I agree that I can receive checks made out to the payee name I have listed above চেক বক্সে চেক করুন। লক্ষ করুন, আপনার সঠিক টেলিফোন/মোবাইল নাম্বারটিও দিতে হবে।
৮) Policies-এর তিনটি চেক বক্সেই চেক করতে হবে। তার আগে AdSense Program Policies টা অবশ্যই পড়ে নিবেন। এখুনি পড়তে না চাইলে বুকমার্ক করে রাখুন। নতুনদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন।
৯) সবকিছু আরেকবার পরীক্ষা করে সাবমিট করুন... একটি কনফার্মেশন পেজ চলে আসবে যেখানে আপনার পুরন করা তথ্যগুলো দেখাবে।
১০) এবার Which best describes you? প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। (ধরে নেয়া হলো আপনার একটি জিমেইল আইডি রয়েছে.. কারন আগের পর্বে আপনি ব্লগস্পটে ব্লগ তৈরি করেছিলেন।)
১১) Would you like to use your existing Google Account for AdSense? এ ও প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। (I'd like to use my existing Google account for AdSense.)..
এবার গুগলের লগইন করার বক্স আসবে...
আপনার গুগল আইডি (জিমেইলে যেটি ব্যবহার করেন) ও পাসওয়ার্ড দিন)

Continue করুন... সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনাকে দুই/তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। একাউন্ট গ্রহন করা হলে আপনাকে মেইল করে জানিয়ে দিবে।

একাউন্ট গ্রহন করার পর কিভাবে এডসেন্সে লগইন করে বিজ্ঞাপন কোড বানিয়ে তা সাইটে/ব্লগে বসাতে হয় তা নিয়ে আগামী পর্বে বলার ইচ্ছে রইলো।

...(চলবে)...

লিখেছেন :TRIVUz
তথ্যসূত্রঃ Click here

Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (২)


Google AdSense থেকে উপার্জনের কিছু থিউরিটিক্যাল ও প্রাকটিক্যাল আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। তার আগে আলোচনার একটি শ্রেণীবিভাগ করে নেই।

আমরা মূলত পাঁচটি ভাগে আলোচনাটা করবো যাতে নির্দিষ্ট কোন টপিকে আলাদা আলাদা প্রশ্ন করা যায়।

১) AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
২) AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)
৩) AdSense এর জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ও কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়
৪) এডস প্রতিস্থাপন ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি
৫) গুগল থেকে টাকা নিজের পকেটে আনার প্রক্রিয়া
এই সবগুলো ধাপের সাথেই থাকছে কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস এবং করণীয় ও বর্জনীয়। সেই সাথে প্রশ্ন ও উত্তর পর্বে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করা হবে।

তাহলে শুরু করা যাক-

AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা
AdSense মূলত একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যারা আপনার আমার জন্য বিভিন্ন কোম্পানী/ওয়েব থেকে বিজ্ঞাপন এনে দেয় এবং আপনার রেভিন্যু প্রাপ্তি নিশ্চিত করে। গুগলের আরেকটি সার্ভিস রয়েছে যেখানে যেকেউ তার কোম্পানী বা ওয়েবের বিজ্ঞাপন দিতে পারে। সেখান থেকে প্রাপ্ত বিজ্ঞাপনগুলো AdSense এর কোডের মাধ্যমে মাধ্যমে আপনার সাইটে রেন্ডমলি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সাধারনত প্রতিটি এডস প্রদর্শন, ক্লিক, ফ্রি সাইনআপ, বিক্রিয়, সেবাগ্রহন ইত্যাদির বিনিময়ে কোম্পানীগুলো গুগলকে টাকা দিয়ে থাকে। এই কাজটা যখন আপনার ওয়েব বা ব্লগের মাধ্যমে হয়ে থাকে তখন আপনাকে সেই টাকার একটা অংশ আপনাকে দেয় গুগল। পুরো প্রক্রিয়াটা খুবই সুক্ষ ও স্মার্টলি সম্পন্ন হয়.. সুতরাং নিশ্চিন্তে গুগলের উপরে ভরসা করতে পারেন।


AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)

গুগল এডসেন্স মূলত আপনাকে একটি বিজ্ঞাপন কোড দিবে আপনাকে ওয়েবের কোথাও রাখতে হবে যাতে লোকজন সেটি দেখতে পায়। সেজন্য আপনি আপনার ব্যক্তিগত সাইট বা ফ্রি ব্লগ সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারেন।

ব্যক্তিগত সাইটের জন্য:
একটি ডোমেইন ও কিছু স্পেস কিনে আপনি শুরু করে দিতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত সাইটের কার্যক্রম। একাজটির জন্য আপনার কিছু অর্থ খরচ হয়ে যাবে। তবে বিনামূল্যেও কাজটি করা যায়। এবিষয়ে কেউ আগ্রহী হলে পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

ফ্রি ব্লগ সাইটের জন্য:
পৃথিবীতে অনেকগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস পাবেন যেখানে আপনি গুগলের এডস রাখতে পারবেন। এরভেতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্ভিস হচ্ছে ব্লস্পট (blogspot)। আজকে আমরা ব্লগ স্পটে কিভাবে ব্লগ করতে হয় তা নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

১) ব্লগ স্পটে ফ্রি ব্লগ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি গুগল একাউন্টের মালিক হতে হবে। সেজন্য চলে যান http://gmail.com এ বা ক্লিক করুন এখানে ।

২) সাইনআপ কম্প্লিট হলে ওপেন করুন blogspot.com ( http://www.blogspot.com )। উপরে দেয়া ছবিটির মত একটি পেজ আসবে যেখানে আপনি আপনাকে গুগল আইডিটি দিয়ে লগইন করতে হবে।

৩) ঠিক ঠাক মত লগইন করতে পারলে Sign up for Blogger পেজ আসবে এবং আপনাকে Display name দিতে বলবে। ডিসপ্লে নামটি মূলত ব্লগে আপনার নিক হবে। এটি যেকোন সময় পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং যেকোন একটি দিয়ে ফেলতে পারেন। নাম দেয়া হলে Terms of Service পড়ে যদি মানতে রাজী হন তাহলে Acceptance of Terms এর চেকবক্সে ক্লিক করে Continue করুন। (বেশীর ভাগ মানুষই Terms of Service পড়তে বিরক্তবোধ করেন। কিন্তু একটি সাইটের কোন সার্ভিস গ্রহন করার আগে এটি পড়ে নেয়া জরুরী)।

৪) এবার ব্লগস্পট আপনাকে Dashboard পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনি Create your blog now এ ক্লিক করে ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। তাহলে ক্লিক করুন Create your blog now লিংকে।

৫) ব্লগস্পট আপনাকে এবার Name your blog পেজে নিয়ে আসবে যেখানে আপনি আপনার Blog title ও Blog address (URL) ঠিক করবেন। একটি বিষয় মাথায় রাখুন যে গুগল বা ইয়াহুর মত ব্লগস্পটেও বেশীর ভাগ নাম দখল হয়ে গিয়েছে। সুতরাং Blog address (URL) এ কোন নাম দেয়ার পর Check Availability এ ক্লিক করে দেখে নিন।

৬) ব্লগস্পট এবার আপনাকে Choose a template পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনার রুচিমত একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে Continue করতে পারেন। Template যেকোন সময়ই পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এটি নিয়ে খুব বেশী না ভেবে আপাতত একটি নিয়ে ফেলুন।

৭) সবঠিক ঠাক মত সম্পন্ন হলে Your blog has been created! ম্যাসেজ পাবেন আরেকটি পেজে। Start posting এ ক্লিক করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন।

লক্ষ করুন- ৫ নং ধাপে আপনি যে Blog address (URL) দিয়েছিলেন, সেটি আপনার ব্লগ লিংক। যেমন আমার ব্লগস্পট লিংক হলো http://money-bd.blogspot.com । আগামী পর্বে এডসেন্সে সাইনআপ করতে এটি কাজে লাগবে।

...(চলবে)..

লিখেছেন: TRIVUz   
তথ্যসূত্রঃ Click Here
 
Copyright 2009 EARN MONEY BY INTERNET. Powered by Blogger Blogger Templates create by Deluxe Templates. WP by Masterplan